1. mj.fakir1984@yahoo.com : Jahangir Hossain : Jahangir Hossain
  2. rubelmadbor786@gmail.com : Rubel Madbar : Rubel Madbar
  3. msalamc@gmail.com : superadmin :
শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২০, ০৯:২৪ পূর্বাহ্ন

নিউজিল্যান্ড ছাড়াও করোনামুক্ত ঘোষণা করেছে যেসব দেশ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় বুধবার, ১০ জুন, ২০২০
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে

সম্প্রতি নিজেদেরকে করোনামুক্ত ঘোষণা দিয়ে লকডাউন তুলে নিয়েছে নিউজিল্যান্ড। দেশটির শেষ রোগীও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। গত ২২ মের পর থেকে নতুন করে কারো করোনা শনাক্ত হয়নি। তবে শুধু নিউজিল্যান্ড নয় আরও বেশ কয়েকটি দেশ এরই মধ্যে নিজেদের করোনামুক্ত হিসেবে ঘোষণা করেছে। চলুন সেসব দেশ সম্পর্কে জেনে নিই-

মন্টিনিগ্রো: ইউরোপের দেশ মন্টিনিগ্রো। ১৭ মার্চ প্রথম নোভেল আক্রান্তের খবর মেলে বালকানস তীরের এই দেশ থেকে। তারপর লকডাউনের পথেই হাঁটে ৬ লক্ষ ২২ হাজার ৩৫৯ জনের এই দেশ। এর ফলে ৩২৪ জনেই আটকে যায় করোনা আক্রান্তর সংখ্যা। ২৪মে নিজেদের করোনা মুক্ত বলে ঘোষণা করেছে এই দেশ।

ইরিত্রিয়া: আফ্রিকার একেবারে পূর্ব দিকে ৬০ লক্ষ জনগোষ্ঠির দেশ ইরিত্রিয়া। ২১ মার্চ নরওয়ে ফেরত এক ব্যক্তির দেহে প্রথম ধরা পড়ে করোনাভাইরাস। শেষ পর্যন্ত দেশটিতে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন মাত্র ৩৯ জন। ১৫ মে করোনা মুক্তি লাভ করে এই দেশ।

পাপুয়া নিউ গিনি: ওশিয়ানিয়ার এই দেশের জনসংখ্যা ৮০ লক্ষ ৯০ হাজার। মার্চ মাসের ২০ তারিখ প্রথম করোনার হদিশ মেলে সেখানে। তারপর জারি হয় রাত্রিকালীন কার্ফু। বন্ধ করে দেওয়া হয় ইন্দোনেশিয়া সীমানা। এশিয়া থেকে যাত্রী আসা একেবারে নিষিদ্ধ করে দেয় এই দেশ। মাত্র ৮ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন এই দেশ। ৪মে করোনামুক্ত ঘোষণা করে এই দেশ।

সিসিলি: একসময় ব্রিটেনের অধীন ছিল এই দেশ। ১৯৭৬ সালের ২৯ জুন স্বাধীন হয় সিসিলি। ১৪ মার্চ প্রথম দুজনের দেহে করোনাভাইরাস ধরা পড়ে এই দেশে। সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করা হয় যুদ্ধ জাহাজ। বন্ধ করা হয় চীন ইতালি, দক্ষিণ কোরিয়া ও ইরানের সঙ্গে সব যাতায়াত। ৯৭ হাজার ৯৬ জনের এই দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন মাত্র ১১ জন। সকলেই সুস্থ। এরপরই নিজেদের করোনামুক্ত ঘোষণা করে এই দেশ।

হলি সি: ‘রোমান কোর্ট’ দ্বারা পরিচালিত হয় এই দেশ। করোনা ধরা পড়ার পর এই দেশে সব ধরনের পর্যটন বন্ধ করা হয়। মাত্র ১২ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন এই দেশে। ৬ জুন নিজেদের করোনা মুক্ত বলে দাবী করে তারা।

সেইন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস: ক্যারিবিয়ান এই দেশের জনসংখ্যা ৫২ হাজার ৪৪১। এখানে প্রথম করোনা হানার খবর মেলে ২৪ মার্চ। তারপর বন্ধ করা হয় এয়ারপোর্ট, স্কুল, অনিত্যপ্রয়োজনীয় সব দোকান। জারি করা হয় কার্ফু। দেশটিতে মাত্র ১৫ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন করোনা থাবায়। ১৯মে নিজেদের করোনা মুক্ত বলে ঘোষণা করেছে এই দেশ।

ফিজি: প্রথম করোনা আক্রান্তর হদিশ মিলেছিল ১৯ মার্চ। তারপরই প্রধানমন্ত্রী ফ্রেঙ্ক বেইনিমারামা বন্ধ করে দেন বিমান। বাইরে থেকে আগত সকলের জন্য বাধ্যতামূলক করা হয় ১৫ দিনের কোয়ারেন্টিন। ১৮ জন করোনা রোগীই সুস্থ হয়ে উঠেছেন এই দেশে। ২০ এপ্রিল নিজেদের করোনা মুক্ত বলে ঘোষণা করেছে ফিজি।

পূর্ব তিমুর: এই দেশে প্রথম করোনা আক্রান্তর হদিশ মেলে ২১ মার্চ। কিন্তু দেশের নয় এমন মানুষ যারা চীন ভ্রমণ করেছেন সম্প্রতি, তাদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয় ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে। বন্ধ করা হয় স্কুল, জমায়েত। অন্য দেশ থেকে আসা সকলের জন্য ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন বাধ্যতামূলক করা হয়। অবশেষে ১৫মে সুস্থ হয়ে ওঠেন দেশের ২৪ তম শেষ করোনা রোগী। তথ্যসূত্রঃ ঢাকা টাইমস

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2020 Munshiganjcrime
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazarmunshiga45